Pakistan shouldn’t be eliminated as a host nation from the 2011 cric world cup. Sports should be kept aside from the dirty politics between the South Asian nations. Who’s gonna come and see the world cup when it has become disputed between South Asians.
Originally Posted by SportsGuru
Pakistan shouldn’t be eliminated as a host nation from the 2011 cric world cup. Sports should be kept aside from the dirty politics between the South Asian nations. Who’s gonna come and see the world cup when it has become disputed between South Asians.
Well I highly doubt countries like South Africa, England, Australia, New Zealand the West Indies would want to play in Pakistan after what happened to the Sri Lankan team..the Lankans will not want to go again probably..its a shame that happened because the Pakistanis would have loved to have some games there but now its gonna be awhile before they can host any games..
now I think there is no point having UDRS in the WC....
Well they can use many other applications to help the 3rd umpire / review system
__________________
I'm with Shahbag for fair punishment of all war criminals. Im with Shahbag to stand for fair trials of all Corruption, all murders and social injustices occurred over last 40 years. I'm for a secular, corruption free & Just society in Bangladesh. Spirit of '71
ঢাকা, অক্টোবর ২৬ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- বিশ্বকাপ ক্রিকেটের বাংলাদেশে অনুষ্ঠেয় ম্যাচগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের জন্য একটি সেল গঠন করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বিশ্বকাপ ২০১১'র নিরাপত্তা বিষয়ক জাতীয় কমিটির সভায় মঙ্গলবার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কমিটির প্রধান স্বরাষ্ট্রমন্ত্র সাহারা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার বেনজীর আহমেদসহ বিভিন্ন সংস্থা ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সমন্বয় সেলের প্রধান করা হয়েছে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শককে। কমিটিতে সদস্য হিসেবে থাকবেন ডিজিএফআই, এনএসআই ও র্যাব'র প্রতিনিধি এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কমিশনাররা।
এছাড়াও জাতীয় কমিটিতে অর্থ সচিব, পররাষ্ট্র সচিব, যুব ও ক্রীড়া সচিব, ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এবং সিলেটের ওসমানী বিমানবন্দরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে (সিইও) সদস্য হিসেবে কোঅপ্ট করার সিদ্ধান্ত হয়েছে বৈঠকে।
সভায় উপস্থিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে সভায় আলোচনা করা হয়েছে।
বিশ্বকাপের ভেন্যুগুলোতে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্র সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তাকে তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের নির্দেশ দিয়েছেন বলেও ওই কর্মকর্তা জানান।
আগামী বছরের ১৭ ফেব্র"য়ারি থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত ঢাকা ও চট্টগ্রামের দুটি ভেন্যুতে বিশ্বকাপের আটটি মূল পর্বের ম্যাচ এবং চারটি প্রস্তুতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
__________________
All our lives we are giving and accepting reasons. Reasons are the coin we pay for the beliefs we hold.
Originally Posted by SportsGuru
Pakistan shouldn’t be eliminated as a host nation from the 2011 cric world cup. Sports should be kept aside from the dirty politics between the South Asian nations. Who’s gonna come and see the world cup when it has become disputed between South Asians.
Sorry but I don't think cricketers can dodge bullets and grenades like Keanu reeves..
Can we post all the news, updates and information + all other tips and tricks here please?
Here is one to start with. I just found tickets of Bangladesh Match Online in auction!!
Now I donno if you can trust this but whatever ...have a look at this link
Here is an email that I received today. Thought of sharing with you all. I think the email has a valid point. Opening ceremonies of any sports events are usually designed with local traditions, arts and culture. Well, BCB and Mahfuzur Rahman does not think so...
০১ লা জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১:৫৯
শেয়ার করুনঃ
0 2
প্রথম যেদিন শুনলাম ২০১১ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক বাংলাদেশ, কতটা খুশি হয়েছিলাম বলে বোঝাতে পারবনা। আমার দেশে হবে ক্রিকেটের বিশ্বকাপ!! মাঠে গিয়ে খেলা দেখব বিশ্বকাপের ম্যাচ! নানা দেশ থেকে দর্শকেরা আসবে আমাদের দেশে খেলা দেখতে। সারা বিশ্ব জানবে বাংলাদেশের নাম।
কিছুদিন পর যখন জানলাম বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে বাংলাদেশেই তখন আনন্দের সীমা রইলো না। অলিম্পিকের উদ্বোধন অনুষ্ঠান দেখি, বিশ্বকাপ ফুটবলের উদ্বোধন অনুষ্ঠান দেখি, এবার আমার দেশেই দেখব সরাসরি! ভাবতেই লাফিয়ে উঠছিলাম কিছুক্ষণ পর পর। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সারা বিশ্ব দেখবে বাংলাদেশ শুধু দারিদ্রতার দেশ নয়, শুধু বন্যা-ঘূর্নিঝড়ের দেশ নয়। বাংলাদেশের রয়েছে সমৃদ্ধ ইতিহাস। নিজস্য ঐতিহ্য। অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। বাংলাদেশের আছে বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত, আছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন যেখানে আছে বিরল রয়েল বেঙ্গল টাইগার। বাংলাদেশের আছে আদিবাসীদের বৈচিত্রময় অনন্য সুন্দর ঐতিহ্য। হাজারো রঙের ছটায় বর্ণিল আমার এই দেশকে নতুনভাবে দেখবে সারা বিশ্ব! সারা বিশ্বের বিস্ময় আমার বাংলাদেশ!
কিন্তু বিধাতার মনে হয় আমার সুখ সহ্য হলো না। তিনি এমন ব্যবস্থা করলেন যে এখন আমাকে কেউ ফ্রি টিকেট দিলেও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখতে যাবনা।
কিসের জন্য যাব? কেন যাব? কাদের দেখতে যাব? বচ্চন পরিবারকে দেখতে? রাহাত ফতেহ আলীর গান শুনতে? ভারতীয় ৫৮ জন শিল্পীর নাচ-গান দেখতে? আমার দেশে, আমার মাঠে ভারতীয় সংস্কৃতিকে তুলে ধরা হচ্ছে এটাই দেখতে যাব? না। কখনোই না।
পত্রিকা মারফত জানা গেছে, ভারত বলেছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটা বাংলাদেশ নিজেদের ইচ্ছেমত করতে পারবে যেহেতু তারা সমাপনী অনুষ্ঠান করবে। বিসিবি অনুষ্ঠানটি আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের 'এটিএন ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট' ও ভারতের 'উইজক্রফট' কে দায়িত্ব দিয়েছে। তারা যৌথভাবে আয়োজন করবে। উইজক্রফট কে মূলত কারিগরী সহয়তার জন্যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
কিন্তু এটিএন ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট- যার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান, পুরো অনুষ্ঠানটি সাজাচ্ছে ভারতীয় শিল্পীদের দিয়ে! অমিতাভ বচ্চন, তার স্ত্রী, ছেলে, ছেলের বউ সহ মোট ৫৮ জন আসবে নাচা-গানা করতে! বাংলাদেশের শিল্পীদের মধ্যে কেবল 'ইভা রহমান' থাকেবন যিনি কিনা মাহফুজুর রহমানের স্ত্রী!! কেন? আমাদের কি সাবিনা ইয়াসমিন, রুনা লায়লা, সৈয়দ আব্দুল হাদী, খুরশীদ আলম, সুবীর নন্দী, শাকিলা জাফরেরা নাই? আমাদের কি লালন, শাহ আব্দুল করিমের মত বিশ্বমানের বাউল নেই? তাদের গান তো সারা বিশ্বেই জনপ্রিয়!! আমাদের কি হাবিব, অর্নব, বাপ্পা, জেমসের মত আন্তর্জাতিক মানের শিল্পী নেই?
পুরো বিশ্ব দেখবে বাংলাদেশে অনুষ্ঠেয় ওপেনিং সিরেমনিতে ভারতীয়রা পারফর্ম করছে, তারা তাদের সংস্কৃতি তুলে ধরছে? বিশ্ব কি ভাববে? বাংলাদেশের কোনো ভালো শিল্পী নেই, বাংলাদেশের তুলে ধরার মত ঐতিহ্য নেই!!
কেন এই নির্লজ্জতা? কেন এই নিচু মানসিকতা? কেন নিজের স্বকীয়তাকে বিলীন করে দেয়া? কিসের স্বার্থে? কার স্বার্থে? আমরা কি চেয়ে চেয়ে দেখবোই শুধু?
না! আমরা প্রতিবাদ করবো। আমরা সোচ্চার হব এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে। আমরা কয়জন ঠিক করেছি এটিএনের অফিসের সামনে বা বিসিবির অফিসের সামনে মানববন্ধন করব। প্রতিবাদ করবো। তারপরেও যদি এর পরিবর্তন না হয়, তাহলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বর্জন করব।
আপনারা আসুন আমাদের সাথে। বাংলাদেশের এই অপমানের বিরুদ্ধে আমরা প্রতিবাদ করি আসুন। বিসিবিকে মেইল করে জানান আপনার আপত্তির কথা। সবাই মিলে চেষ্টা করলে নিশ্চয়ই এর প্রতিকার পাবো।
বিসিবির সাথে যোগাযোগ করুন।
Phone: +880 2 803 1101-4
Fax: + 880 2 803 1199
Email: info@bcb-cricket.com
তাদেরকে মেইল করুন। আপনার সব আত্বীয় স্বজন, বন্ধুবান্ধব যারা খবরটা জানেনা, তাদেরকে জানান। সোচ্চার হন এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে।
যদি এতকিছুর পরেও এটিএন তাদের সিদ্ধান্ত বদল না করে তাহলে তাদেরকে বলবো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাংলাদেশে নয়, ভারতের কোনো শহরে করুন। আমরা ঢাকাকে ভারতের কোনো শহর বানাতে দিবনা।
Here is an email that I received today. Thought of sharing with you all. I think the email has a valid point. Opening ceremonies of any sports events are usually designed with local traditions, arts and culture. Well, BCB and Mahfuzur Rahman does not think so...
০১ লা জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১:৫৯
শেয়ার করুনঃ
0 2
প্রথম যেদিন শুনলাম ২০১১ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক বাংলাদেশ, কতটা খুশি হয়েছিলাম বলে বোঝাতে পারবনা। আমার দেশে হবে ক্রিকেটের বিশ্বকাপ!! মাঠে গিয়ে খেলা দেখব বিশ্বকাপের ম্যাচ! নানা দেশ থেকে দর্শকেরা আসবে আমাদের দেশে খেলা দেখতে। সারা বিশ্ব জানবে বাংলাদেশের নাম।
কিছুদিন পর যখন জানলাম বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে বাংলাদেশেই তখন আনন্দের সীমা রইলো না। অলিম্পিকের উদ্বোধন অনুষ্ঠান দেখি, বিশ্বকাপ ফুটবলের উদ্বোধন অনুষ্ঠান দেখি, এবার আমার দেশেই দেখব সরাসরি! ভাবতেই লাফিয়ে উঠছিলাম কিছুক্ষণ পর পর। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সারা বিশ্ব দেখবে বাংলাদেশ শুধু দারিদ্রতার দেশ নয়, শুধু বন্যা-ঘূর্নিঝড়ের দেশ নয়। বাংলাদেশের রয়েছে সমৃদ্ধ ইতিহাস। নিজস্য ঐতিহ্য। অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। বাংলাদেশের আছে বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত, আছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন যেখানে আছে বিরল রয়েল বেঙ্গল টাইগার। বাংলাদেশের আছে আদিবাসীদের বৈচিত্রময় অনন্য সুন্দর ঐতিহ্য। হাজারো রঙের ছটায় বর্ণিল আমার এই দেশকে নতুনভাবে দেখবে সারা বিশ্ব! সারা বিশ্বের বিস্ময় আমার বাংলাদেশ!
কিন্তু বিধাতার মনে হয় আমার সুখ সহ্য হলো না। তিনি এমন ব্যবস্থা করলেন যে এখন আমাকে কেউ ফ্রি টিকেট দিলেও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখতে যাবনা।
কিসের জন্য যাব? কেন যাব? কাদের দেখতে যাব? বচ্চন পরিবারকে দেখতে? রাহাত ফতেহ আলীর গান শুনতে? ভারতীয় ৫৮ জন শিল্পীর নাচ-গান দেখতে? আমার দেশে, আমার মাঠে ভারতীয় সংস্কৃতিকে তুলে ধরা হচ্ছে এটাই দেখতে যাব? না। কখনোই না।
পত্রিকা মারফত জানা গেছে, ভারত বলেছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটা বাংলাদেশ নিজেদের ইচ্ছেমত করতে পারবে যেহেতু তারা সমাপনী অনুষ্ঠান করবে। বিসিবি অনুষ্ঠানটি আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের 'এটিএন ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট' ও ভারতের 'উইজক্রফট' কে দায়িত্ব দিয়েছে। তারা যৌথভাবে আয়োজন করবে। উইজক্রফট কে মূলত কারিগরী সহয়তার জন্যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
কিন্তু এটিএন ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট- যার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান, পুরো অনুষ্ঠানটি সাজাচ্ছে ভারতীয় শিল্পীদের দিয়ে! অমিতাভ বচ্চন, তার স্ত্রী, ছেলে, ছেলের বউ সহ মোট ৫৮ জন আসবে নাচা-গানা করতে! বাংলাদেশের শিল্পীদের মধ্যে কেবল 'ইভা রহমান' থাকেবন যিনি কিনা মাহফুজুর রহমানের স্ত্রী!! কেন? আমাদের কি সাবিনা ইয়াসমিন, রুনা লায়লা, সৈয়দ আব্দুল হাদী, খুরশীদ আলম, সুবীর নন্দী, শাকিলা জাফরেরা নাই? আমাদের কি লালন, শাহ আব্দুল করিমের মত বিশ্বমানের বাউল নেই? তাদের গান তো সারা বিশ্বেই জনপ্রিয়!! আমাদের কি হাবিব, অর্নব, বাপ্পা, জেমসের মত আন্তর্জাতিক মানের শিল্পী নেই?
পুরো বিশ্ব দেখবে বাংলাদেশে অনুষ্ঠেয় ওপেনিং সিরেমনিতে ভারতীয়রা পারফর্ম করছে, তারা তাদের সংস্কৃতি তুলে ধরছে? বিশ্ব কি ভাববে? বাংলাদেশের কোনো ভালো শিল্পী নেই, বাংলাদেশের তুলে ধরার মত ঐতিহ্য নেই!!
কেন এই নির্লজ্জতা? কেন এই নিচু মানসিকতা? কেন নিজের স্বকীয়তাকে বিলীন করে দেয়া? কিসের স্বার্থে? কার স্বার্থে? আমরা কি চেয়ে চেয়ে দেখবোই শুধু?
না! আমরা প্রতিবাদ করবো। আমরা সোচ্চার হব এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে। আমরা কয়জন ঠিক করেছি এটিএনের অফিসের সামনে বা বিসিবির অফিসের সামনে মানববন্ধন করব। প্রতিবাদ করবো। তারপরেও যদি এর পরিবর্তন না হয়, তাহলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বর্জন করব।
আপনারা আসুন আমাদের সাথে। বাংলাদেশের এই অপমানের বিরুদ্ধে আমরা প্রতিবাদ করি আসুন। বিসিবিকে মেইল করে জানান আপনার আপত্তির কথা। সবাই মিলে চেষ্টা করলে নিশ্চয়ই এর প্রতিকার পাবো।
বিসিবির সাথে যোগাযোগ করুন।
Phone: +880 2 803 1101-4
Fax: + 880 2 803 1199
Email: info@bcb-cricket.com
তাদেরকে মেইল করুন। আপনার সব আত্বীয় স্বজন, বন্ধুবান্ধব যারা খবরটা জানেনা, তাদেরকে জানান। সোচ্চার হন এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে।
যদি এতকিছুর পরেও এটিএন তাদের সিদ্ধান্ত বদল না করে তাহলে তাদেরকে বলবো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাংলাদেশে নয়, ভারতের কোনো শহরে করুন। আমরা ঢাকাকে ভারতের কোনো শহর বানাতে দিবনা।
bhul information e bhora ei lekha ta. ami jetuku jani, opening ceremony te bangladesher part besh bhalobhabei thakchhe. bangladesher jatiyo sangeet diye ceremony shuru hobe. then bangla and english language e welcome song hobe (bangladesher jonpriyo young artist ra gaiben ei gaan). tarpor shob dhesher captain ra stadium e dhukben amader desher ekti jonorpiyo bahon e chepe... then bangladesher bhasha andolon, muktijuddho, oshamprodaiyekota, amader desher shokol adibashi culture tule dhora hobe...erpor ashbe srilanka and india'r performance...
prai 2 hours er opening ceremony te srilanka and india'r jonno shomoi thakbe 50%er o kom. e chhara officially program shuru howar aage prai 2 hours er ekta pre show hobe... shekhane bangladesher jonopriyo shilpira perform korben...
na jene, khojkhobor na niye montobbo kora amader obbhash e porinoto hoyechhe...
The Tigers(BANGLADESH Cricket) Breaking news: Eden Gardens will not host the World Cup game between India and England on February 27, the ICC has said. The ICC's inspection team drew on the knowledge and experience of some of the leading experts in the field of stadium and ground preparation and the view was that Eden Gardens would not be ready by the 27 February.
++++++++++++
From FB.
__________________
Time to unleash Shabbir Rahman Roman!!!
যেদিন থেকে বল-ব্যাট নিয়ে নাড়াচাড়া, সেদিন থেকেই বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন মোহাম্মদ সোহরাওয়ার্দীর
রংপুর ক্রিকেট গার্ডেনে নির্মাণ স্কুল ক্রিকেটের ম্যাচ খেলতে গেছে আল-হেরা স্কুল। খেলার আগে হঠাৎ জানা গেল একজন খেলোয়াড় আসেনি। মাঠে ছিল ওই স্কুলেরই ষষ্ঠ শ্রেণীর এক ছাত্র। বিকল্প খেলোয়াড় হিসেবে নামিয়ে দেওয়া হলো তাকেই। আকস্মিক দলে ঢুকে খুদে ক্রিকেটারটি কিন্তু খারাপ খেলল না—৫ ওভার বল করে ১০ রানে ৫ উইকেট!
মাঠে বসে খেলা দেখা অনেকের উৎসাহে ছেলেটির মা-বাবা তাকে ভর্তি করিয়ে দিলেন বিকেএসপিতে। সেদিনের সেই খুদে ক্রিকেটারই আজকের মোহাম্মদ সোহরাওয়ার্দী—সোহ াওয়ার্দী শুভ। চোখে যাঁর বিশ্বকাপ-স্বপ্ন পূরণের ঝিলিক।
বিশ্বকাপ নিয়ে স্বপ্নের আঁকিবুঁকি বাংলাদেশ দলের ১৫ ক্রিকেটারের চোখেই। তবে সোহরাওয়ার্দীর স্বপ্নটা একটু অন্য রকম। ২০০৯ সালে হজ পালন তাঁর জীবনদর্শন এতটাই বদলে দিয়েছে যে, বিশ্বকাপ-স্বপ্ন অন্যদের সঙ্গে মেলে না, ‘দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ হবে। আল্লাহর কাছে একটাই চাওয়া, তিনি যেন আমাদের মানসম্মান রাখেন। আমরা যেন ভালো খেলতে পারি। সারা দুনিয়ার মানুষ যেন জানে, এই মুসলিম দেশটা ভালো ক্রিকেট খেলে।’
যেদিন থেকে বল-ব্যাট নিয়ে নাড়াচাড়া, সেদিন থেকেই বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন। ২০০৭ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলকে ভালো খেলতে দেখে স্বপ্নপূরণের তাড়নাটা বেড়েছে। তবে হজ করে আসার পর স্বপ্ন কিংবা বাস্তবতা—সবকিছুই সমান তাঁর কাছে। স্বপ্নপূরণের দরজায় দাঁড়িয়ে বরং সোহরাওয়ার্দীর মনে হচ্ছে, বিশ্বকাপটাই সব না। জীবনের প্রতিটি অণু-পরমাণুর অর্থই দুই বছর আগের চেয়ে ভিন্ন, ‘আগে সব সময় একটা অভাববোধ থাকত। মনে হতো আরেকটু করলে, আরেকটু পেলে বোধ হয় ভালো হয়। কিন্তু এখন সবকিছু খুব শান্তিপূর্ণ, খুব পরিপূর্ণ মনে হয়। আগে মৃত্যু নিয়েও ভাবতাম না। হজের পর এ ব্যাপারটা আমার কাছে পরিষ্কার হয়ে গেছে। জীবনের উদ্দেশ্য বুঝতে পারি এখন।’ উপলব্ধির পরিবর্তন আছে ক্রিকেটীয় বিষয়েও, ‘আগে বলতাম, আল্লাহ আমাকে অনেক সম্মান দাও, টাকা-পয়সা দাও। হজের পর এসব বদলে গেছে। আল্লাহর কাছে এখন একটা জিনিসই চাই, তিনি আমাকে ভালো খেলতে সাহায্য করুন। অন্য তরুণ ক্রিকেটাররা যেন বুঝতে পারে নামাজ পড়েও ভালো খেলা যায়।’
নামাজের প্রতি আগ্রহ ছোটবেলা থেকে। কিন্তু হজ করে এসে ধর্মের সবকিছুকেই জীবনের অংশ করে নিয়েছেন, ‘হজে গিয়ে কিছু জিনিস দেখে আশ্চর্য হয়েছি। কী দেখেছি বলব না, এসব একান্তই ব্যক্তিগত ব্যাপার। আসলে হজ এমন একটা জিনিস, ওখানে গেলে মানুষের একটা না-একটা দিক খুব শক্তিশালী হয়।’ বদলে যাওয়া সোহরাওয়ার্দীর যেমন মনে হয়, আগের জীবনটা খুবই অনিশ্চিত ছিল। জাগতিক মোহে এতটাই ডুবে গিয়েছিলেন যে, এই জীবনটাকেই মনে হতো সবকিছু। নতুন উপলব্ধি, ‘পৃথিবীতে আসার সিরিয়াল আছে, যাওয়ার কোনো সিরিয়াল নেই...।’
সোহরাওয়ার্দী অদৃষ্টবাদী বিশ্বকাপ নিয়েও, ‘আল্লাহ চাইলে বিশ্বকাপ খেলব। তিনি না চাইলে আর সবাই চাইলেও খেলতে পারব না। হয়তো ইনজুরিতে পড়ে যাব, কিছু করার থাকবে না। সব ক্ষমতাই তাঁর হাতে।’ অনেকে বলেন, সাকিব-রাজ্জাক থাকতে সোহরাওয়ার্দীর মতো আরেকজন বাঁহাতি স্পিনার না হলেও তো চলত বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দলে! সোহরাওয়ার্দী প্রতিবাদ করেন, তবে পাল্টা আঘাত করে নয়, ‘আমার মনে হয়, আমার খেলার প্রয়োজন আছে বলেই খেলছি। প্রয়োজন না থাকলে আমাকে কেউ নিত না। নিশ্চয়ই দলে আমার প্রয়োজন আছে।’
ধর্মের মধ্যে থেকেই তিনি জেনেছেন, ধর্মের সঙ্গে বিরোধ নেই ক্রিকেটের। ইসলাম বরং পরিপূর্ণ ক্রিকেটার হয়ে উঠতেই সাহায্য করে। হয়তো এই বিশ্বাস থেকেই সোহরাওয়ার্দীর মতো ধর্মভীরু-শ্মশ্রুমণ্ডিত ক্রিকেটার আজকাল অনেকেই আছেন। পাকিস্তানের মোহাম্মদ ইউসুফ, দক্ষিণ আফ্রিকার হাশিম আমলা কিংবা ইংল্যান্ড ‘এ’ দলের মঈন আলী। তাঁদেরও আগে আছেন সাঈদ আনোয়ার। পাকিস্তানের সাবেক এই ওপেনার বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে ঢাকায় এসে যাঁদের খোঁজ করেছেন, তাঁদের মধ্যে সোহরাওয়ার্দীও ছিলেন। সোহরাওয়ার্দীর মাধ্যমে আজ তাঁর সঙ্গে দেখা করার কথা সাকিব-তামিমসহ বাংলাদেশ দলের আরও কয়েকজন ক্রিকেটারের। কিন্তু দেখা হলে তাঁদের কী বলবেন সাঈদ আনোয়ার! বিশ্বকাপ সামনে বলে ক্রিকেটীয় পরামর্শই দেবেন, নাকি শোনাবেন ধর্মের কথা? হয়তো সোহরাওয়ার্দীকে যেটা বলেছেন, তাঁদেরও বলবেন সেটাই, ‘খেলার সঙ্গে ধর্মের বিরোধ নেই। আল্লাহর ওপর বিশ্বাস রেখে খেলো।’
কথাটা অক্ষরে অক্ষরে মানেন। সোহরাওয়ার্দী বিশ্বকাপ-স্বপ্নের মধ্যে থেকেও তাই বিশ্বাস করেন, ‘আল্লাহ পাশে ছিলেন বলেই এত কিছু সম্ভব হয়েছে। নইলে আমি হয়তো আজ কোথাও থাকতাম না...।’
__________________
The mind is like a parachute, it only works when open.....Thomas Dewey
I read somewhere Dhaka Mayor wants beggars off the street during the world cup month so they don't bother the tourists. He also said the government will pay the beggars to make up for their loss. Any one else heard anything about this?
__________________
"I was the happiest man in the world, happier than Bill Gates"- Tamim Iqbal
Originally Posted by bangladesh_sy
I read somewhere Dhaka Mayor wants beggars off the street during the world cup month so they don't bother the tourists. He also said the government will pay the beggars to make up for their loss. Any one else heard anything about this?
I did. Both in Dhaka and CTG. CTG mayor said they gonna pay 150tk each everyday from February 15th/16th.
__________________
~*Islam is the only way to attain peace in life, be it personal, family or political.*~
Originally Posted by bangladesh_sy
^ bhaloi tow. ami dhaka thakle dui masher jonno fokir hoiya jaitam
Egulo to bole.. kintu koto ta dibe ke jaane..
Politicians ra chaile onek aagei ei business ta bondo korte parto but they won't. Ora nijera o comission pai eder kas theke.
__________________
~*Islam is the only way to attain peace in life, be it personal, family or political.*~
লক্ষ্য কোয়ার্টার ফাইনাল!
আত্মবিশ্বাসী টাইগারদের নিয়ে স্বপ্ন কোচ জেমি সিডন্সের
মহসিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম অফিস টাইগারদের চোখে প্রথমে দ্বিতীয় রাউন্ড। তারপর অন্য চিনত্মা। এরও আগে প্রতিটি ম্যাচ ভাল করতে চায়। কিন্তু দলের কোচ জেমি সিডন্স এসব শুনতে নারাজ। প্রস্তুতি ভাল। ভাল ক্রিকেট খেলে জিততে চান। কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যনত্ম যাওয়া তার প্রত্যাশা। চট্টগ্রামে টানা তিনদিন কন্ডিশনিং প্র্যাকটিস শেষে প্রত্যাশা নিয়ে এ প্রথম মুখ খুললেন। কিছুটা বিভক্ত প্র্যাকটিস সিডিউল করা হয় দিনটিতে। মাত্র ঘণ্টা দেড়েক ব্যাটিং প্র্যাকটিস করেন ক্রিকেটাররা। যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে ফেরাই ছিল যেন মূল উদ্দেশ্য। ফ্লাড লাইটে দুদিন প্র্যাকটিসের পর তাদের বিশ্বাসে বন্ধন সৃষ্টি হয়েছে_ এমনই ধারণা টাইগারদের। শুক্রবার আসা মাত্র ৮ ক্রিকেটারের অনেকের মুখ থেকে স্বসত্মির এসব সুর প্রকাশ পেয়েছে। গত মঙ্গলবার থেকে টাইগাররা চট্টগ্রামে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি মিশন শুরম্ন করেছিল। প্রথম দিন হোটেলে বসে, জিম, সুইমিং আর হোম ওয়ার্কের মধ্য দিয়ে প্রস্তুতি পর্বের সূচনা করেন। এরপর টানা তিন দিন ফ্লাড লাইটের আলো ও দিনের কম সূর্যরশ্মিতে সব ডিপার্টমেন্টকে সমৃদ্ধ করার প্রস্তুতি মিশনে নামেন সিডন্স। জেমি দেখে দেখে সব ব্যাটসম্যান ও বোলারকে টানা প্র্যাকটিস করিয়েছেন। ঘাম ঝরিয়ে ফিল্ডিং ও নিশানার ব্যাপারে সতর্কও করেছেন। টিপস দিয়েছেন শেষ মুহূর্তেও। যাতে বিশ্বকাপে টাইগাররা নতুন চেহারায় খেলতে পারে। ক্রিকেটারের অনেকের ভাবনা এখন দ্বিতীয় পর্ব। তামিম-আশরাফুলরা দুদিনেই বলে ফেলেছেন চট্টগ্রামে তারা বেশ এনজয় করেছেন। দলের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও বোঝাপড়া চমৎকার। তাই বিশ্বকাপে ভাল কিছু করাই তাদের প্রত্যাশা। তামিমরা ভক্তদের খুব বেশি আবেগী করার সুযোগ না দিলেও কোচ জেমি সিডন্স কোন রাগঢাক না রেখেই প্রত্যাশার কথা প্রকাশ করে দিলেন। কূটনৈতিক কথা না বলে কোয়ার্টার ফাইনালই দলের টার্গেট বলে জানিয়ে দেন। প্রত্যাশার পেছনে যুক্তিও ছিল। গত কিছুদিন টাইগাররা বেশ ভাল ক্রিকেট উপহার দিয়েছে। দলে এখন সমন্বয়ও ভাল। কোচিং ক্যাম্পে বোলার-ব্যাটসম্যানরা যেভাবে সতর্ক ও ক্রিকেটের প্রতি মগ্ন হয়েছেন তাতে উৎসাহ থাকারই কথা। টিম বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাসই শুধু তাকে নয়, অসংখ্য ভক্ত এবং সাধারণের প্রত্যাশা বাড়িয়ে দিয়েছে। চট্টগ্রাম থেকে আত্মবিশ্বাসের প্রেরণা নিয়েই যেন জাতীয় দলের ঢাকায় প্রত্যাবর্তন। শুক্রবার শেষ দিনে সাগরিকায় জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে মাত্র ৮ ক্রিকেটার অনুশীলনে এসেছিলেন। তামিম, আশরাফুল, মাহমুদ উলস্নাহ, মুশফিক এবং রুবেল হোসেনরা দেড় ঘণ্টা মাঠে চষেছেন। বোলিং এবং ব্যাটিং প্র্যাকটিস করেই দেড় ঘণ্টা সময় কাটিয়েছেন কোচ সিডন্সের নিশানা অনুযায়ী। দলের বাকিরা অনুশীলনে আসেননি। তবে সাকিবরা হোটেলেই জিম এবং সুইমিং করে ফিটনেস ধরে রাখার চেষ্টায় ব্যসত্ম ছিলেন। চট্টগ্রামের প্র্যাকটিস উপভোগ্য ছিল এমন ধারণা নিয়ে চট্টগ্রাম ছেড়েছে জাতীয় দল। যাবার পথে রম্নবেল হোসেন জানিয়ে দেন, 'আমাদের আত্মবিশ্বাস ভাল, এ কদিন নিবিড় প্র্যাকটিস করেছি। চট্টগ্রামের ক্যাম্প আমাদের কাজে দেবে'। রম্নবেলের আঙ্গুলের ব্যথা এখনও রয়েছে। তাই সামান্য সময় বোলিং অনুশীলন করেছেন। ভক্তদের জন্য আশার বাণীর কথা জানিয়েছেন ব্যথা আগের চেয়ে কমেছে। দ্রম্নত সেরে উঠছেন রম্নবেল। সময়ই বলে দেবে রম্নবেল বা মাশরাফির ভাগ্যে কি ঘটে। নিজের প্রত্যাশা সম্পর্কে রম্নবেল জানিয়ে দেন, বিশ্বকাপে আমি তিন সেরা পেস বোলারের মধ্যে থাকতে চাই। তার শারীরিক ভাষা এমনই ছিল_ মাশরাফিকে ছাপিয়ে রম্নবেলই পেসার দলের সদস্য হতে চলেছেন। ফিটনেসের কারণে মাশরাফির ভাগ্য এখনও ঠিক হয়নি। অনেকের ধারণা, মাশরাফিকেই শুধু নিজের ফিটনেস নয়, রম্নবেলের সঙ্গেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকতে হবে। দলে যেই থাকুক, টাইগাররা বিশ্বকাপে ভয় নয়, বিশ্বকাপে নিজেদের ধারণ করতে চান_ এমনই প্রত্যাশার কথা দলের সদস্যরা বার বার জানান দিচ্ছেন। আগামী ১২ ফেব্রম্নয়ারি টাইগাররা প্রস্তুতি ম্যাচে কানাডার সঙ্গে এ মাঠেই নামবে। আপাতত ঢাকায় ফিরে গেলেও ১০ ফেব্রম্নয়ারি আবার চট্টগ্রামে আসছে তারা।