facebook Twitter RSS Feed YouTube StumbleUpon

Home | Forum | Chat | Tours | Articles | Pictures | News | Tools | History | Tourism | Search

 
 


Go Back   BanglaCricket Forum > Cricket > Match Archive

Match Archive Relive the match-time passion (Read Only)

Reply
 
Thread Tools Display Modes
  #3801  
Old December 21, 2011, 04:32 PM
idrinkh2O's Avatar
idrinkh2O idrinkh2O is offline
Test Cricketer
 
Join Date: April 9, 2011
Favorite Player: Performing Tigers
Posts: 1,869

Bangladesh v Pakistan, 2nd Test, Mirpur, 5th day
I let my team down - Mushfiqur
Mohammad Isam
December 21, 2011

The shots played by Mushfiqur Rahim and Mahmudullah, Bangladesh's captain and vice-captain, were dreadful examples of leading from the front. The captain getting out with his team just a session away from safety was the bigger offender. Pakistan eventually beat the clock and the fading light, chasing down the target of 103 to win the series 2-0.

With bad light being so much of an issue in the second Test in Mirpur, it was likely to come into play as Bangladesh fought for a draw. Mushfiqur had done the hard work of keeping the two-hour morning session wicketless, with 86 runs in 29 overs. He added 107 for the sixth wicket with Nasir Hossain, who batted without trouble against a Pakistan attack that waned at times.

The pair surged along, knocking off Pakistan's 132-run lead, and both batsmen reached half-centuries. However, Abdur Rehman found a way through Nasir Hossain's defences after lunch, and it was all down to Mushfiqur and the tail. What the captain did next is another example of how Bangladesh implode all of a sudden. After batting nearly three hours, Mushfiqur skipped down the wicket and, in his effort to attack Rehman, ended up lofting one to Saeed Ajmal at mid-off to depart for 53.

"Of course I will take the blame. If I didn't get out, we could have batted 30 minutes more," Mushfiqur said after the defeat. "I feel guilty for my shot as I let my team down.

"I was set so I thought if I take a chance, I could score 20-30 more runs. My plan was correct but execution was wrong. They only had square-leg back. I tried it earlier but couldn't get to the ball."

The timing of Mushfiqur's dismissal was a sickening blow to Bangladesh's pursuit for safety. It was all over in 25 minutes.

On the fourth evening, Mushfiqur's deputy, Mahmudullah, had committed a similar blunder. After Tamim Iqbal and Shahriar Nafees suffered poor decisions, Mahmudullah's shot was hard to comprehend. He chased a wide delivery from Aizaz Cheema and top-edged to deep point to be dismissed for 32 off 50 balls.

"He [Mahmudullah] knows it well that when he got out, it was a bad time. He was having good partnerships with Nazimuddin and Nasir," Mushfiqur said. "We have to cut down on some shots in such situations.

"Ever since I started playing for Bangladesh, this has happened. This is the fact. We make mistakes in situations and we can't recover. If we had taken all the catches, they wouldn't have taken the 130-run lead. It would have been a different ball game if we took a 250-280 lead."

Mushfiqur, however, believed his team had improved with every innings during this Test series against Pakistan. "Overall batting-wise, we have gradually improved. Some of our batsmen could bat for a long time, which was our goal. We often get out after a quick 30-40. These are the positives.

"If we lose four, five wickets in a session, or they score 100 for 0, it becomes difficult to come back. Our bowlers created a lot of chances in this game, but we couldn't capture it."
--------------------------------------------------------------

Mushfiq, it's ok that you made mistakes...just learn from it & please don't repeat 'em in the future!
__________________
-- Alwayz with !!! Champions are made from something they have deep inside them - a desire, a dream, and a vision!
-- Bangladesh are the Runners-up in the 2012 ASIA Cup!
Reply With Quote
  #3802  
Old December 21, 2011, 04:42 PM
idrinkh2O's Avatar
idrinkh2O idrinkh2O is offline
Test Cricketer
 
Join Date: April 9, 2011
Favorite Player: Performing Tigers
Posts: 1,869

তবুও ইতিবাচক দিকগুলো খোঁজার চেষ্টা

ঢাকা: বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়করা একটু বেশিই আশাবাদির দলে। চরম খারাপ সিরিজ থেকেও তাদের চোখে ভালো ভালো দিকগুলো নজরে পড়ে। পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি, ওয়ানডে এবং টেস্ট সিরিজে ধবলধোলাই হওয়ার পরেও ইতিবাচক দিকগুলো খুঁজে বেড়ালেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম।

গাজী আশরাফ হোসেন লিপুদের যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে অধিনায়ক তুলে ধরলেন,‘আমার মনে হয় টেস্ট সিরিজ জুড়ে অসাধারণ কিছু ব্যক্তিগত পারফরমেন্স আছে। বিশেষ করে সাকিব আল হাসানের দুর্দান্ত একটা সিরিজ কেটেছে। সে দারুণ বল এবং ব্যাট করেছে। অভিষিক্ত নাজিমউদ্দিনের জন্য ভালো সিরিজ গেছে। সে প্রথম টেস্টে দারুণ ব্যাট করেছে। নাসির হোসেন ও শাহরিয়ার নাফীসের জন্য দ্বিতীয় টেস্টটা খুব ভালো গেছে। এরকম বেশ কিছু ভালো ব্যাপার আছে। আমাদের বোলাররাও তাদের কাজ ভালো করেছে। তবে আমার মনে হয়, আমরা নিজেদের সবচেয়ে বেশি ডুবিয়েছি ফিল্ডিংয়ে। বেশ কিছু ক্যাচ মিস হয়েছে। তাতে আমাদের আবার বিপদ বেড়েছে।’

সাকিব আল হাসান এবং নাসির হোসেন যেখানে বলেন দলের পরাজয়ে ব্যক্তি অর্জন মলিন সেখানে মুশফিকুর সতীর্থদের টুকরো টুকরো সাফল্যগুলোকে আত্মরক্ষার বর্ম হিসেবে দাঁড় কারাচ্ছেন,‘প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংস থেকে এই টেস্টের প্রথম ইনিংস পর্যন্ত একটা উন্নতির রেশ ছিলো। আরেকটা জিনিস যদি দেখেন, এই টেস্টে আমাদের ব্যাটসম্যানদের লম্বা সময় ধরে খেলতে পারার যে জিনিস, সেটা কিন্তু অনেকে পেরেছে। অনেক সময় দেখা যায় আমরা দ্রুত ৩০-৪০ করে আউট হয়ে যাই। কিন্তু এখানে প্রথম ইনিংসে আবীর (শাহরিয়ার নাফীস) ভাই, সাকিব, তারপর সেকেন্ড ইনিংসে আমি বা নাসির চেষ্টা করেছি অনেকক্ষন ধরে উইকেটে থাকার।’

দুই ইনিংস মিলে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩৩৮ ও ২৩৪ রান। সেখানে পাকিস্তান এক ইনিংসেই তুলেছে ৪৭০ রান। যদিও পঞ্চম দিনের শেষ বেলায় গিয়ে টেস্টের ফল হয়েছে। তারপেছনেও শীতের কুয়াশার সাহায্য ছিলো। দেশের কন্ডিশনের সব সুবিধা নিয়েও শেষ টেস্টটা ড্র করতে পারলো না বাংলাদেশ। এনিয়ে অধিনায়ককে একটু আক্ষেপ করতে দেখা গেলো,‘গতকাল যখন ৫ উইকেটে পড়ে গেছে, মনে হচ্ছিল এটা (ড্র) আর সম্ভব না। নাসির আর আমি যখন আজ শুরু করলাম, তারপর লাঞ্চ পর্যন্ত খেললাম তখন মনে হচ্ছিল, আরেকটা সেশন যদি আমরা খেলতে পারি, তাহলে ভিন্ন বল গেম হত। তখন দেড়’শ বা এক’শ ৮০ রানের লিড হয়ে যেত। তখন তাদের জন্য কাজটা অবশ্যই কঠিন হয়ে যেতো। সেদিক থেকে অবশ্যই খারাপ লাগছে।’

-----------------------------------------------------------------------------

আফসোস হচ্ছে নাসির হোসেনেরও

ঢাকা: টেস্ট ক্রিকেটে নবীন ছেলেটিও জানেন দলের ব্যর্থতায় ব্যক্তিগত সব অর্জন মলিন হয়ে যায়। ঢাকা টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৭৯ রানের যে ইনিংসটি খেলেছেন নাসির হোসেন, তা নিয়ে আত্মতৃপ্তির ঢেকুর তুলতে পারছেন না। বরং আক্ষেপের সুর ছিলো তার কথায়,‘সেঞ্চুরির হলে যে আনন্দ হতো, তারচেয়ে বেশি ভালো লাগতো টেস্টটা ড্র করতে পারলে। সেঞ্চুরির লক্ষ্য ছিলো না, লক্ষ্য ছিলো চা বিরতি পর্যন্ত খেলা।’

পাকিস্তানের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টের প্রথম তিন দিনে চরম নৈরাশ্যবাদী মানুষটির মনেও আশার আলো ছিলো, একটা কিছু হলেও হতে পারে। খেলার শেষদৃশ্যে এতটা নাটকীয়তা লুকিয়ে থাকবে স্বপ্নেও দেখেনি কেউ। দ্বিতীয় ইনিংসে ৯৫ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ফেলায় স্বপ্নযাত্রায় সামান্য চিড় ধরে। আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম এবং নাসির হোসেন পঞ্চম দিন প্রথম সেশন পার করে দেওয়ায় মৃতপ্রায় সম্ভাবনা একচিলতে আলো হয়ে আসে। কিন্তু মুশফিকুর রহিম উইকেট ছুঁড়ে দেওয়ায় ভেস্তে যায় সকল আশা।

২৩৪ রানে অল-আউট হয়ে প্রতিপক্ষকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় মাত্র ১০৩ রানের লক্ষ্যে। অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের ভাষায়,‘৫ উইকেট পড়ে গেলে মনে হচ্ছিল এটা (ড্র) আর সম্ভব না। নাসির আর আমি যখন আজ শুরু করলাম, তারপর লাঞ্চ পর্যন্ত খেললাম। তখন মনে হচ্ছিল, আরেকটা সেশন যদি আমরা খেলতে পারি তাহলে ভিন্ন বল গেম হত। তখন দেড়’শ বা এক’শ আশি রানের লিড হয়ে যেত। তখন তাদের জন্য কাজটা অবশ্যই কঠিন হয়ে যেতো। সেদিক থেকে অবশ্যই খারাপ লাগছে।’

ওয়ানডে সিরিজে ভালো খেলায় টেস্টে ব্যাটিংয়ে প্রমোশন দেওয়া হয় নাসিরকে। প্রথম ইনিংসে চার নম্বরে খেলতে নেমে আউট হয়ে গিয়েছিলেন ৭ রান করে। দ্বিতীয় ইনিংসে একধাপ নিচে পঞ্চম স্থানে ব্যাট করতে নেমে দলের হাল ধরেন এবং ১৭২ বলে ১১ চারের মারে ৭৯ রান করেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অভিষেক হওয়ায় অলরাউন্ডার নাসির প্রথম অর্ধশতক পাওয়ায় প্রতিক্রিয়ায় বলেন,‘পাকিস্তানের এই বোলিংয়ের বিপক্ষে ৭৯ করতে পেরেছি সেজন্য ভালো লাগছে। খেলাটা মোটেও সহজ ছিলো না। যখন ব্যাট করতে নামি তখন চিন্তা ছিলো যতটা সম্ভব লম্বা সময় ধরে ব্যাট করবো। পাঁচ নম্বরে ব্যাট করার জন্য এটা সম্ভব হয়েছে। সব সময় এই পজিশনে ব্যাট করতে পারলে আমার জন্য ভালো হবে।’

উইকেটের সুবিধা নেওয়ার জন্য তিন পেসার নিয়ে খেলেছে বাংলাদেশ দল। টেস্ট বোলার সাহাদাত হোসেনের কাছ থেকে আশানুরূপ ফল না পাওয়া গেলেও নাজমুল হোসেন প্রশংসা কুড়িয়েছেন। নাজমুল এখন টেস্ট দলের নিয়মিত হওয়ার কথা ভাবছেন,‘আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। আমার মনে হয় অন্য যেকোন সময়ের চেয়ে ভালো বল করতে পেরেছি। আপনারাও আমার পারফরমেন্স দেখেছেন। চেষ্টা অব্যাহত রাখবো, আশা করি আরেকটি টেস্ট খেলতে আমাকে সাত বছর অপেক্ষা করতে হবে না। তার আগেই সুযোগ দেওয়া হবে।’

রবিউল ইসলামকে হতভাগাই বলতে হবে। টেস্টের দুই ইনিংসে মাত্র ২৪ ওভার বল করার সুযোগ পেয়েছেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে যথেষ্ট সুযোগ না পাওয়ায় খানিকটা হতাশ দেখালো রবিউলকে,‘ওভাবে বোলিংয়ের সুযোগ হয়নি। টানা বোলিং করতে পারলে হয়তো নিজেকে দেখানোর সুযোগ থাকতো। এখানেই শেষ না, পরে আরও সুযোগ থাকবে সেখানে ভালো করবো।’

শাহরিয়ার নাফিস মনে করেন আম্পায়ারদের বাজে সিদ্ধান্তগুলো তাদের পক্ষে না গেলে ঢাকা টেস্ট ড্র হতো,‘ইনিংসের শুরুতেই আমাদেরকে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে। তারপরেও নাসির এবং মুশফিকের একটা ভালো জুটি হওয়াতে ২০০ রানের বেশি করতে পেরেছি। আফসোস একটা ঘণ্টা বেশি খেলতে পারলাম না।’

---------------------------------------------------------------------------------------

বাংলাদেশকে শৃঙ্খল ব্যাটিংয়ে অভ্যস্ত হতে হবে: মিসবাহ

ঢাকা: পাকিস্তান ক্রিকেট দলের একবছরের পারফরমেন্স দেখেন, বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উন্নিত হওয়া, টানা ছয়টি ওয়ানডে সিরিজ জয় এবং পাঁচটি টেস্ট সিরিজের একটিতে ড্র হলেও বাকিগুলোতে সাফল্য পেয়েছে।

এমন একটি দলে অধিনায়কের দায়িত্বে থাকা গর্বের। মিসবাহ উল হকও অহংকার করেন। দল সম্পর্কে বলছিলেন,‘২০১১ সালে যখন আমাদের দলের অভিযান শুরু হয় তখন তরুণ এবং অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের মিশেল দল ছিলো। খেলতে খেলতে এখন আমরা অভিজ্ঞ হয়ে উঠেছি।’

টি-টোয়েন্টি, ওয়ানডের পর টেস্ট সিরিজেও জয়ের ধারাবাহিকতা রাখার লক্ষ্য নিয়ে ঢাকা টেস্ট খেলতে নামে সফরকারী দল। কিন্তু প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ দলের ভালো ব্যাটিংয়ের পর একটা চিন্তার উঁকি দিচ্ছিলো। শেষপর্যন্ত তাদের পছন্দের ফলই হয়েছে শেষ টেস্টে। পাকিস্তান ক্রিকেট অধিনায়ক যেমন বলছিলেন,‘আমাদের মাথায় ছিলো আলো থাকতে থাকতেই খেলা শেষ করতে হবে। অন্তত ১০ থেকে ১৫ ওভার আগে জিতে নিতে হবে। সে ভাবে চাপ তৈরি করতে পারায় সফল হয়েছি।’

প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ দল সম্পর্কে মিসবাহ’র মন্তব্য হলো,‘টেস্ট ক্রিকেটের মূলমন্ত্রই হলো বল বা ব্যাটিং যাই করো তাতে শৃঙ্খলা থাকতে হবে। মাঝেমধ্যে তারা এমন শট খেলেছে যা মেনে নেওয়া যায় না। তাদেরকে শিখতে হবে ক্রিজে কিভাবে টিকে থেকে বড় জুটি গড়তে হয়। শেষ টেস্টে যা করতে পেরেছে। প্রথম ইনিংসে দুটি জুটি হওয়ায় ৩৩৮ রান করতে পেরেছে। দ্বিতীয় ইনিংসে একটি জুটি হওয়ায় আমাদের ওপর চাপ তৈরি করতে পেরেছে।’
__________________
-- Alwayz with !!! Champions are made from something they have deep inside them - a desire, a dream, and a vision!
-- Bangladesh are the Runners-up in the 2012 ASIA Cup!
Reply With Quote
  #3803  
Old December 21, 2011, 04:50 PM
idrinkh2O's Avatar
idrinkh2O idrinkh2O is offline
Test Cricketer
 
Join Date: April 9, 2011
Favorite Player: Performing Tigers
Posts: 1,869

Cool & Cool Cup
From safety to defeat
Pakistan win Test series 2-0
Bishwajit Roy


MAN-OF-THE-MATCH: Shakib Al Hasan keeps a stump as a souvenir of the second Test where he set a tremendous record taking six wickets and scoring 144 runs. Despite Shakib's heroics, the hosts ended up on the losing side.

An unlikely resistance came from Mushfiqur Rahim and Nasir Hossain on the fifth and final day but their efforts were not good enough for Bangladesh to save the second Test against Pakistan and sign off the year on a bright note yesterday.

Pakistan made a clean sweep by winning all matches on tour when they posted a seven-wicket victory over the Tigers at the Sher-e-Bangla National Stadium in Mirpur, where the home team showed some character through man-of-the-match Shakib Al Hasan's splendid all-round performance after a no-show in the first Test in Chittagong. Bangladesh looked competitive for the first time in the series during the second Test after surrendering meekly in the lone T20, three ODIs and first Test match. The most encouraging part in the second Test was that there had been three sessions in which the Tigers did not lose any wickets, which showed that this Bangladesh line-up were capable of batting with resolve, but the missed catches and poor umpiring undermined what could have been a better performance.

The Tigers' well-documented tendency to collapse was on everybody's minds when they resumed their second innings on 114 for five under foggy condition but the 117-run sixth wicket stand between Mushfiqur and Nasir kept Pakistan waiting for victory till the last session. On the other hand, things could have been different if the Bangladesh captain held his nerve at a crucial moment.

Bangladesh pushed close through brilliant batting from Mushfiqur and Nasir, who guided Bangladesh through the first session without any damage with the scoreboard reading 200 for five, but they fell short of holding on for a draw when an arm ball from left-arm spinner Abdur Rehman bamboozled Nasir, who saw his stumps dismantled.

But still hopes of a draw were alive until Mushfiqur made a mistake. The right-hander unnecessarily went down the pitch to charge Rehman but miscued his chip shot to see the ball landing in the safe hands of Saeed Ajmal at mid-off. That opened the gate for Pakistan to finish off Bangladesh's longish tail.

Nasir top-scored with 79 off 172 balls with eleven boundaries while Mushfiqur his seven fours in his 53 off 143 balls. Their efforts helped Bangladesh score 234 runs in their second innings, leaving Pakistan to achieve chase 103 runs in 40 overs.

Pakistan scored quickly in their chase, wary of the bad light factor and reached the target for the loss of Mohammad Hafeez (47), Taufeeq Umar (3) and Azhar Ali (34) in 20.5 overs.

If playing one session without the loss of a wicket was the high point then the poor shot selection, which has been the main headache of the team for a while, from Mushfiqur was the low point of the final day's play.

The first session belonged entirely to the home team, raising hopes of an honourable draw. They were just another good session away from safety, but Mushfiqur's wicket at the worst possible time spoiled the party for the hosts, leaving a strong Pakistan to end their successful year in the best possible way.

But still, the Tigers can at least take some positives out of this match when they next play a Test, which will once again be after a long break.

-----------------------------------------------------------------------------

Cool & Cool Cup
Mushfiq takes the blame
Mohammad Isam

The tendency to take risks in a stable position has hurt the Tigers once more though skipper Mushfiqur Rahim owned up to his error in judgment after the seven-wicket defeat to Pakistan in the second Test.

“Of course I will take the blame. If I didn't get out, we could have batted 30 minutes more. I feel guilty for my shot as I let my team down,” said the Bangladesh captain during the post-match press conference at the Sher-e-Bangla National Stadium yesterday.

Pakistan had just removed Nasir Hossain after seeing the pair add 117 for the sixth wicket in a morning of inspired rearguard action from the Tigers. With three hours to go and an elongated tail to bat with, Mushfiqur thought it wise to charge left-arm spinner Abdur Rehman. But the man who had batted so calmly for his 53 off 143 balls, let out a chipped straight drive that was skied and eventually caught by Saeed Ajmal at mid-off.

It was the last straw as Pakistan took just 38 balls to close off the Bangladesh second innings, restricting the hosts to a total of 234 and a 102-run lead.

“I was set so I thought if I take a chance, I could score 20-30 more runs. My plan was correct but execution was wrong. They only had square-leg back. I tried it earlier but couldn't get to the ball,” he added, though he was not the only guilty party in the second innings.

Mahmudullah Riyad was reckless too, skying an ill-conceived pull shot off Aizaz Cheema late in the fourth evening. “He knows it well that when he got out, it was a bad time. He was having good partnerships with Nazimuddin and Nasir. We have to cut down on some shots in such situations,” said Mushfiqur.

He credited the individual performers though regretted the dropped catches that made the bowling weaker. “I thought there were a couple of good individual performances. I think it's a great feat by Shakib Al Hasan, he bowled really well. He also batted well.”

“It was good from Nazimuddin as a Test player, as well as Nasir Hossain and Shahriar Nafees. Our bowlers created a lot of chances. But we let ourselves down in one department, and that's fielding,” he said.

Nasir, who made 79 on the fifth and final day, said that a drawn game would have made him happier than the century.

“I would have been happier had we played out a draw rather than the century. I wanted to bat till tea, not get the ton.

“But I feel good to score 79 against a team like Pakistan. It wasn't easy, but I was confident. I like batting at five as I can have the other batsmen around me,” said Nasir.

-------------------------------------------------------------------------------------------

Cool & Cool Cup
Misbah credits continuity

An in-form Pakistan signed off on a successful year in style when they beat Bangladesh by seven wickets in the second Test at the Sher-e-Bangla National Stadium in Mirpur yesterday.

By winning six out of ten Tests Pakistan finished as the second most successful team of the year after England and captain Misbahul Haq played a pivotal role in leading the team out of all the controversies surrounding Pakistan cricket.

“When we started playing as a team, a few of our guys were new and inexperienced. But at the moment we are an experienced side as it is the same team that has been playing together for a year and a half and everyone is learning how to play every form of the game, which is the key. Their performance is getting mature match by match,” said delighted Misbah after the match.

“If you look at the team's performance throughout the year, especially the Test analysis, you will find the top six batsmen scoring around the same runs and they average nearly the same. And the bowlers did splendidly, picking regular wickets, it not only one guy who is performing. Even Hafeez, who is the fifth bowler is also picking regular wickets,” he added.

The Pakistan captain admitted that they were in a hurry when chasing the winning target of 103 in 40 overs in the last session because of bad weather conditions.

“Yeah, the situation was that the light could have dropped any time. For which we were pushing to get home quickly. We had this in mind for which we closed the match with 10 to 15 overs remaining,” said Misbah.

Pakistan were definitely in a spot of bother when Mushfiqur Rahim and Nasir Hossain were batting and Misbah said that they were looking for the new ball to turn the table on Bangladesh.

“The plan was simple. At that moment nothing was happening, the ball wasn't turning. So we just planned to go out there and finish our plans quickly and get our hands on the new ball as soon as possible and stop the flow of runs. When you get two or three maiden overs, the pressure builds on the batsmen and a good scope to pick wickets is created,” he informed.

The experienced campaigner thought that the lack of consistency was the real issue in Bangladesh's performance throughout the series.

“There were certain situations when they did really well like in this match they gave us a tough time, especially in the first inning when they built that partnership [the 180-run fifth-wicket stand between Shakib Al Hasan and Shahriar Nafees]. And when we came in to bat, they made it difficult for us to score, specially Shakib Al Hasan and the pacers. They were restricting our batsmen. So you can say that they performed in patches. During the one-day series also, their performance was never consistent. They really have to be consistent with both their batting and bowling. That's where they lack,” observed Misbah when asked to sum up the Tigers performance over the series.

He also said that Bangladesh should have discipline in their performance and be patient if they want to get success at the highest level of the game.

“The main thing in Test cricket is the discipline, doesn't matter if you are bowling or batting. Sometimes they play shots which you know sometimes is not acceptable. They need to know how to occupy the crease and build partnerships, which they did in the last Test. In the first innings there were two partnerships and they scored 338, in the second innings there was one partnership and they were able to put us in trouble. So that's how you build a good partnership and compete in Test cricket,” he suggested.
__________________
-- Alwayz with !!! Champions are made from something they have deep inside them - a desire, a dream, and a vision!
-- Bangladesh are the Runners-up in the 2012 ASIA Cup!
Reply With Quote
  #3804  
Old December 21, 2011, 04:52 PM
idrinkh2O's Avatar
idrinkh2O idrinkh2O is offline
Test Cricketer
 
Join Date: April 9, 2011
Favorite Player: Performing Tigers
Posts: 1,869

বাংলাদেশের হার ৭ উইকেটে
অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ২১-১২-২০১১

মিরপুর টেস্টের শেষ দিনে এসে ৭ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ দল। আজকের জয়ের সুবাদে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ২-০ তে জিতল সফরকারী পাকিস্তান।

জয়ের জন্য দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ১০৩ রান। মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে ১০৭ রান তুলে মিসবাহ-উল-হকের দল।

৫ উইকেটে ১১৪ রান নিয়ে আজ পঞ্চম দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। আগের দিন অপরাজিত থাকা দুই ব্যাটসম্যান নাসির হোসেন ও মুশফিকুর রহিম উভয়েই হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেন। সাজঘরে ফেরার আগে নাসির ৭৯ ও অধিনায়ক মুশফিকুর ৫৩ রান করেন। অন্যদিকে, বাকি ব্যাটসম্যানরা কেবল আসা-যাওয়া করেছেন।

১০৩ রানের লক্ষ্যে খেলতে নামা পাকিস্তান হেসে-খেলে জয় তুলে নেয়। উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হাফিজ করেন ৪৭ রান। আজহার আলী করেন ৩৪ রান। দলের জয় নিশ্চিত করে ইউনুস খান ১৬ ও অধিনায়ক মিসবাহ ৬ রানে অপরাজিত থাকেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ৩৩৮/১০
সাকিব ১৪৪, নাফীস ৯৭
চিমা ৭৩/৩, গুল ১০২/৩
পাকিস্তান প্রথম ইনিংস: ৪৭০/১০
তৌফিক ১৩০, মিসবাহ ৭০
সাকিব ৮২/৬, নাজমুল ৬১/২
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস: ২৩৪/১০
নাসির ৭৯, মুশফিকুর ৫৩
রেহমান ৫১/৪, গুল ৩৪/২, চিমা ৬১/২
পাকিস্তান দ্বিতীয় ইনিংস: ১০৭/৩
হাফিজ ৪৭, আজহার ৩৪
সানি ৭/১, নাজমুল ১৯/১, সাকিব ৪৭/১
টস: পাকিস্তান
ফল: পাকিস্তান ৭ উইকেটে জয়ী।
সিরিজ: পাকিস্তান ২-০ তে জয়ী।
__________________
-- Alwayz with !!! Champions are made from something they have deep inside them - a desire, a dream, and a vision!
-- Bangladesh are the Runners-up in the 2012 ASIA Cup!
Reply With Quote
  #3805  
Old December 21, 2011, 04:58 PM
idrinkh2O's Avatar
idrinkh2O idrinkh2O is offline
Test Cricketer
 
Join Date: April 9, 2011
Favorite Player: Performing Tigers
Posts: 1,869

Day 5: BD vs PAK















Source: http://www.banglanews24.com/photogallery.php
__________________
-- Alwayz with !!! Champions are made from something they have deep inside them - a desire, a dream, and a vision!
-- Bangladesh are the Runners-up in the 2012 ASIA Cup!
Reply With Quote
  #3806  
Old December 21, 2011, 07:51 PM
oronnya oronnya is offline
Cricket Legend
 
Join Date: October 19, 2011
Favorite Player: Shak,TI,Mash,Mushy,Dravid
Posts: 3,711

Quote:
Originally Posted by Equinox
Did you miss the bit when Shakib told Mushy to give the ball to Shahadat?
Yes I missed today's match. The time I woke up the match was over so had to get the match details from cricinfo. Anyways budhhita jodi Shakib er hoi taile or mathai bari dewa uchit emon nirbodher moto decission newar jonno...
__________________
"Shakib Al Hasan to Azhar Ali, OUT, a beauty from the Bangladeshi Superman! Shakib gets the runs, Shakib gets the wickets. " CI
Reply With Quote
  #3807  
Old December 21, 2011, 08:02 PM
Crisis Crisis is offline
Banned
 
Join Date: March 19, 2011
Posts: 1,096

Anyone noticed him :

Reply With Quote
  #3808  
Old December 21, 2011, 08:15 PM
Crisis Crisis is offline
Banned
 
Join Date: March 19, 2011
Posts: 1,096

Btw,

If you see Shakib's runout

http://www.dailymotion.com/video/xn2...ort#rel-page-1

@ 05:00

you will see that even though Mushfiq was at fault, Shakib could have dived on his way back and saved his wicket. He just stopped running for some reason!
Reply With Quote
  #3809  
Old December 21, 2011, 09:30 PM
oronnya oronnya is offline
Cricket Legend
 
Join Date: October 19, 2011
Favorite Player: Shak,TI,Mash,Mushy,Dravid
Posts: 3,711

Quote:
Originally Posted by shakibrulz
Well he should have picked up another 5 wicket in the second innings. Or scored another hundred. The team should be renamed to Shakib Al Hasan instead of BD if none of the other sissies are of any use.

And yes, sad but true. Still fuming at Rahim for playing that retarded shot and his pathetic keeping vs Shak.
Like the idea as most of the time (in fact all the time) the matches looks like Shakib vs the opposition !!! The opposition sense victory the moment they take Shakib's wicket... can't forget how the Pakis celebrated Shakib's wicket as if they have won the WC
__________________
"Shakib Al Hasan to Azhar Ali, OUT, a beauty from the Bangladeshi Superman! Shakib gets the runs, Shakib gets the wickets. " CI
Reply With Quote
  #3810  
Old December 22, 2011, 12:48 AM
idrinkh2O's Avatar
idrinkh2O idrinkh2O is offline
Test Cricketer
 
Join Date: April 9, 2011
Favorite Player: Performing Tigers
Posts: 1,869

মুশফিকের ওই শটেই আশার সমাধি
উৎপল শুভ্র | তারিখ: ২২-১২-২০১১

ঢাকায় প্রথম ওয়ানডেতে গ্যালারিতে চাঁদ-তারা খচিত পতাকার ওড়াউড়ি অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগিয়েছিল—খেলাটা ঢাকায় হচ্ছে, না করাচিতে! খেলা আর রাজনীতি না মেশানোই ভালো। তার পরও বিজয়ের মাসে লাল-সবুজের পাশে চাঁদ-তারার আন্দোলন চোখে লেগেছিল বলে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে স্টেডিয়ামের গেটেই সেসব বাজেয়াপ্ত হয়ে যায়।

সিরিজের শেষ দিনে ঢাকা যেন আবার করাচি হয়ে গেল! আরও নির্দিষ্ট করে বললে মিরপুর শেরেবাংলা হয়ে গেল করাচির ন্যাশনাল স্টেডিয়াম!

না, এখানে পতাকা-টতাকার ব্যাপার নেই। মিলটা টেস্টের পরিস্থিতিতে। পাকিস্তান অবশ্য এবার অন্য ভূমিকায়। এগারো বছর আগে ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে দিনের আলো মরে যাওয়ার জন্য প্রার্থনা করছিল পাকিস্তান দল। শুধু প্রার্থনাই নয়, ইংল্যান্ডকে ৪৪ ওভারে ১৭৬ রান করতে না দেওয়ার জন্য অধিনায়ক মঈন খানের নেতৃত্বে সময় নষ্ট করার যত রকম ছলচাতুরী করা সম্ভব, করেছিল তার সবও। দুই আম্পায়ার এবং ম্যাচ রেফারি তা বুঝতে পেরে প্রায়ান্ধকারেও খেলা চালিয়ে যান। শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে জিতে যায় ইংল্যান্ড। ৩৯ বছর পর পাকিস্তানে ইংল্যান্ডের প্রথম টেস্ট জয়ে ভেঙে যায় ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের টানা ৩৪ টেস্ট অপরাজিত থাকার রেকর্ড।

‘ধান ভানতে শিবের গীত’ মনে হচ্ছে? হতেই পারে। তবে আপনি যদি টেলিভিশনেও করাচির ওই টেস্ট দেখে থাকেন, কাল পাকিস্তানের ইনিংসের সময় মিলটা আপনারও মনে হওয়ার কথা। ফিল্ডাররা বল দেখতে পাচ্ছেন না দাবি করে করাচিতে মঈন খান বারবার আম্পায়ারদের কাছে খেলা বন্ধ করার আবেদন করছিলেন। এখানে ওসব আবেদন-নিবেদনের প্রশ্নই উঠছিল না। কারণ খেলা চালিয়ে যাওয়ার জন্য আলো যথেষ্ট কি না—এই সিদ্ধান্তের এখতিয়ার এখন শুধুই দুই আম্পায়ারের।

জয় থেকে পাকিস্তান যখন ২৩ রান দূরে, দুই আম্পায়ার একবার আলোচনাও করলেন। বাংলাদেশ দলকে হতাশ করে অনুমিতভাবেই সিদ্ধান্ত নিলেন খেলা চালিয়ে যাওয়ার। অনুমিতভাবেই, কারণ করাচিতে ফ্লাডলাইট ছিল না। এখানে ফ্লাডলাইট সগৌরবে জ্বলছে। আলোর স্বল্পতার অজুহাতে পাকিস্তানকে জয়বঞ্চিত করলে সেটির আন্তর্জাতিক কেলেঙ্কারিতে পরিণত হওয়াটাও নিশ্চিতই ছিল।

১০৩ রান করতে পাকিস্তান পেয়েছিল ৪০ ওভার। তবে সেটি কাগজে-কলমেই। প্রতিপক্ষ এখানে যত না বাংলাদেশের বোলিং, তার চেয়ে বেশি মরে যেতে থাকা আলো। শেষ পর্যন্ত দুটিকেই হারিয়ে পাকিস্তান জিতে গেল ২০.৫ ওভারেই। উইকেট হারাতে হলো ৩টি। যার একটি নতুন বলে শুরু করে এক প্রান্ত থেকে টানা বোলিং করে যাওয়া সাকিবের। তৃতীয় উইকেটটি পড়ল জয় থেকে ২ রান দূরে থাকতে। হয়তো জয়টা অন্তঃকলহে জর্জর দলকে এক সুতোয় গাঁথার নায়ক মিসবাহ-উল-হকের ব্যাটে আসা উচিত বলেই। দ্বিতীয় বলে ছক্কায় তা এনেও দিলেন মিসবাহ। এ বছর দশম টেস্টে ষষ্ঠ জয়। সাফল্যের হারে পাকিস্তানের ওপরে আছে শুধুই র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দল ইংল্যান্ড।

পাকিস্তানের ইনিংসের বর্ণনায় এতটা জায়গা খরচ হয়ে গেল। অথচ এটাই শেষ দিনের সবচেয়ে অনুল্লেখযোগ্য অংশ। তা হলে উল্লেখযোগ্য কী? মুশফিকুর রহিম ও নাসির হোসেনের ষষ্ঠ উইকেট জুটি। মিরপুরে ষষ্ঠ উইকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জুটি। পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের জুটির নতুন রেকর্ডও হলো। তবে ১১৭ রানের ওই জুটি তৃপ্তির চেয়ে আক্ষেপও কম জাগাল না!

তৃপ্তির অংশটা আগে বলে নেওয়া যাক। ‘নিয়ম’ মেনে চললে ৫ উইকেটে ১১৪ রান নিয়ে চতুর্থ দিন শেষ করা বাংলাদেশের পঞ্চম দিন লাঞ্চের মধ্যেই শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। নিয়মের কথা যদি বলেন, ততক্ষণে ম্যাচ শেষ হওয়ার সম্ভাবনাও ছিল যথেষ্টই। অথচ লাঞ্চের সময়ও অবিচ্ছিন্ন মুশফিকুর-নাসির! ৬৮ রানের লিডে উল্টো টেস্টটা বাঁচিয়ে ফেলার আশা রীতিমতো জ্বলজ্বলে।

লাঞ্চের পর অবশ্য পরিচিত চেহারায় প্রত্যাবর্তন। নাসির যেভাবে খেলছিলেন, তাতে ওয়ানডের মতো প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিও উপহার দিয়ে এই সিরিজ তাঁর দুহাত ভরিয়ে দেবে বলেই মনে হচ্ছিল। রেহমানের সোজা বলে বোল্ড হয়ে সেই আশার মৃত্যু।

ড্রয়ের আশা এর পরও ছিল। শেষ চার উইকেটে আর বিশ-পঁচিশ ওভার ব্যাটিং করতে পারলেই হতো। অথচ শীতের ঝরাপাতার মতো টুপটাপ উইকেট পড়ে মাত্র ১২.৩ ওভারেই শেষ বাংলাদেশের ইনিংস। প্রথম ইনিংসে শেষ ৫ উইকেট পড়েছিল ৩৩ রানে। এবার আরও ১১ রান কমে!

আক্ষেপটা আরও বাড়ছে, অধিনায়ক স্বয়ং এই ধসের শুরু করে দিয়ে গেলেন বলে। মুশফিকুর রহিম অধিনায়ক হওয়ার পর তাঁর ক্রিকেট অন্তঃপ্রাণ বাবা মাহমুদ হামিদ দারুণ একটা কথা বলেছিলেন, ‘কাঁধটা ছোট, কিন্তু দায়িত্বটা অনেক বড়।’ সেই দায়িত্বজ্ঞানের কী পরিচয়টাই না দিলেন মুশফিকুর!
আবদুর রেহমানকে যেভাবে উড়িয়ে মারতে গেলেন, সেটির কী ব্যাখ্যা হতে পারে? শঙ্খ ঘোষের কবিতায় একটা লাইন আছে, ‘কোনো যে মানে নেই, এটাই মানে’। মিড অফে ক্যাচ হয়ে যাওয়া মুশফিকুরের ওই পাগুলে শট সম্পর্কেও একই কথা, ‘কোনো যে ব্যাখ্যা নেই, এটাই ব্যাখ্যা’।

প্রচণ্ড মানসিক চাপে কার কী প্রতিক্রিয়া হয়, বলা কঠিন। মুশফিকুরের ওই শটটিও হয়তো প্রচণ্ড চাপের পার্শ্বপ্রতিক্রি া। নইলে তাঁর মতো ঠান্ডা মাথার মানুষ কেন অমন হঠকারিতা দেখাতে যাবেন? সমস্যা হলো, অধিনায়ক অমন কিছু করে ফেললে তাঁর আর দলের অন্য ব্যাটসম্যানদের দায়িত্বশীল ব্যাটিং সম্পর্কে বক্তৃতা দেওয়ার অধিকার থাকে না।

পরাজয়ের অন্ধকারে আশার ঝলকানি খোঁজাটা বাংলাদেশের ক্রিকেট-সমর্থকদের নিয়তিই বলতে পারেন। এখানে তা খুঁজেও পাওয়া যাচ্ছে। ম্যাচের সর্বোচ্চ ইনিংস ও সেরা বোলিংয়ের পুরস্কার হিসেবে ম্যাচসেরা সাকিব আল হাসান। বাংলাদেশের পক্ষে টেস্টে সর্বোচ্চ চারবার ম্যাচসেরা হওয়ার রেকর্ড হয়ে গেল তাঁর। হয়ে গেল একটি বিশ্ব রেকর্ডও। সেই রেকর্ডটি আনন্দের না কষ্টের, সেটি অবশ্য একটা বড় প্রশ্ন।

এত দিন টেস্ট ক্রিকেটে পরাজিত দলের পক্ষে সর্বোচ্চ তিনবার ম্যাচসেরার স্বীকৃতি পাওয়ার রেকর্ড ছিল মোহাম্মদ আশরাফুল, শচীন টেন্ডুলকার ও ওয়াসিম আকরামের। সাকিবও যোগ হলেন এই দলে। নিশ্চিত থাকতে পারেন, রেকর্ডটি শুধু নিজের করে নিতে বেশি সময় নেবেন না সাকিব আল হাসান!
বাংলাদেশ: ৩৩৮ ও ২৩৪
পাকিস্তান: ৪৭০ ও ১০৭/৩
ফল: পাকিস্তান ৭ উইকেটে জয়ী
__________________
-- Alwayz with !!! Champions are made from something they have deep inside them - a desire, a dream, and a vision!
-- Bangladesh are the Runners-up in the 2012 ASIA Cup!
Reply With Quote
  #3811  
Old December 22, 2011, 12:59 AM
idrinkh2O's Avatar
idrinkh2O idrinkh2O is offline
Test Cricketer
 
Join Date: April 9, 2011
Favorite Player: Performing Tigers
Posts: 1,869

শেষ দৃশ্যে একটু সান্ত্বনা
তারেক মাহমুদ | তারিখ: ২২-১২-২০১১


প্রথম সেশন শেষে অবিচ্ছিন্ন থেকে ফিরছেন নাসির আর মুশফিক। ষষ্ঠ উইকেটে এই দুজনের ১১৭ রানের জুটি আশা জাগিয়েছিল ম্যাচ বাঁচানোর


দল হারলেও ম্যাচে সর্বোচ্চ ইনিংস ও সেরা বোলিংয়ের পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন ম্যাচ সেরার স্বীকৃতি। এই টেস্টের একটা স্মারকও তাই রেখে দিলেন সাকিব

শেষটা ভালো করার আশা ছিল। পুরো সিরিজের কথা ভাবলে ঢাকা টেস্ট হয়তো সেই ভালোটাই দিয়েছে। কিন্তু ভালোর তো শেষ নেই। এটুকু ভালো কি আরও ভালো কিছুর আশা ছড়িয়ে দিচ্ছিল না মনে!
এমন পরিস্থিতিতে ছোট ছোট ভুলগুলোও বড় হয়ে ওঠে। মনে হয়, ইশ্, ওটা যদি হতো...এটা যদি না হতো! ঢাকা টেস্টের ফেলে দেওয়া ক্যাচগুলো সে রকম কাঁটা হয়ে খোঁচাচ্ছে এখন। আক্ষেপ বাড়ছে, সাকিব-মুশফিক কিংবা মুশফিক-নাসিরের জুটিগুলোর মতো আরও একটি-দুটি জুটি কি হতে পারত না? সিরিজের আগের ম্যাচগুলোর হতাশা ভুলে তাহলে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের কালকের সন্ধ্যাটা হতে পারত অন্য রকম।

সিরিজ শেষের সংবাদ সম্মেলনে আক্ষেপটা জানিয়ে গেছেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমও, ‘আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর যতগুলো সিরিজ খেলছি, সব সময়ই মনে হয়েছে, এটা একটু এ রকম হলে, ওটা একটু ও রকম হলে ফলাফল অন্য রকম হতে পারত। কিছু বাজে পারফরম্যান্স এমন সময়ে হয়ে যায় যে সেখান থেকে ফিরে আসা কঠিন।’ ঢাকা টেস্ট শেষে যেমন ক্যাচ মিসটাই বেশি পোড়াচ্ছে অধিনায়ককে, ‘প্রথম ইনিংসে আমরা যদি সবগুলো ক্যাচ নিতে পারতাম, অন্তত গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচগুলো...তাহলে হয়তো ওরা এত বড় লিড পেত না। তখন দ্বিতীয় ইনিংসে আড়াই শ রানের ইনিংস হলেই ম্যাচটা অন্য রকম হয়ে যেত।’ সেটা হয়নি। মুশফিকের তাই মনে করছেন, ‘আমরা নিজেদের সবচেয়ে বেশি ডুবিয়েছি একটা বিভাগে—সেটা ফিল্ডিং। বেশ কিছু ক্যাচ মিস হয়েছে। তাতে আমাদের বিপদ বেড়েছে।’

শেষ টেস্টের ভুলগুলোর মধ্যে আছে দুই ইনিংসে অধিনায়ক, সহ-অধিনায়কের আউট হওয়ার ধরনও। প্রথম ইনিংসে সহ-অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ আর দ্বিতীয় ইনিংসে মুশফিক উচ্চাভিলাষী শটে আউট হয়ে কাঠগড়ায়। নিজেদের এই জায়গায় ‘দোষী’ বলতে আপত্তি নেই অধিনায়কের, ‘রিয়াদ (মাহমুদউল্লাহ) ভাই খুব ভালোভাবে জানেন যে, ওনার আউটটা খুব বাজে সময় ছিল। ওই সময়ে কিছু শট বাদ দিতে হয়। আর আমার ক্ষেত্রে পরিকল্পনাটা ঠিক ছিল; কিন্তু সেটা কাজে লাগাতে পারিনি। সেজন্য আমি অবশ্যই অপরাধবোধে ভুগছি। আমি তখন আউট না হলে হয়তো আরও আধঘণ্টা খেলতে পারতাম। ওরা তখন অনেক কম ওভার পেত।’
আক্ষেপ-আফসোস বাদ দিলে কিছু অর্জনও দেখছেন অধিনায়ক। সাকিব আল হাসানের জন্য যেমন ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত গেল সিরিজটা। অভিষেক টেস্টেই আশার আলো দেখিয়েছেন নাজিমউদ্দিন। দ্বিতীয় টেস্টে শাহরিয়ার নাফীস ও নাসির হোসেনের পারফরম্যান্সও প্রাপ্তির খাতায়। আছে বোলারদের হাত হয়ে আসা প্রাপ্তিও। ‘সব মিলিয়ে পাঁচ দিনই আমরা ভালো খেলেছি। আগে দেখা যেত এক দিন ভালো খেললে আরেক দিন খারাপ খেলতাম। আমার মনে হয়, এটা এমন একটা টেস্ট, যেখানে আমরা পাাঁচটা দিনই কিছু না-কিছু ভালো খেলেছি’—ঢাকা টেস্ট শেষে দাবি জানালেন মুশফিক।

সিরিজে খেলোয়াড়দের সঙ্গে বোর্ড কর্মকর্তাদের ‘পারফরম্যান্স’ও কম নেতিবাচক আলোচনার জন্ম দেয়নি। নির্বাচকদের দলে বোর্ডের হস্তক্ষেপের আলোচনা পুরো সিরিজেই ছিল। তবে এসব ঘটনা বাংলাদেশের ক্রিকেটে এতটাই নিয়মিত যে, তা যেন ‘হোম কন্ডিশনের’ই অংশ! ক্রিকেটাররা এসব মেনে নিয়েই খেলেছেন বলে দাবি মুশফিকের, ‘আগেও বলেছি, এগুলো আমাদের এখানে হয়েই থাকে। এসব নিয়ে খেলোয়াড়েরা খুব একটা চিন্তিত হই না। আমাদের মাঠের পারফরম্যান্স নিয়েই চিন্তা করা উচিত।’

পারফরম্যান্সের আলোচনায় সাকিব-নাজিমউদ্দিনদের সঙ্গে উদাহরণ হতে পারেন নাসির হোসেনও। ওয়ানডেতে সেঞ্চুরির পর কাল দ্বিতীয় ইনিংসে ৭৯ রানের ইনিংস, চাপের মধ্যেও নির্ভার ক্রিকেট খেলার মানসিকতা তরুণ এই ক্রিকেটারের শক্তির দিকটাই তুলে ধরেছে। তবে কাল ম্যাচ শেষে তৃপ্তি খুঁজে পাওয়া গেল না নাসিরের মধ্যে, ‘সেঞ্চুরি হলে যে আনন্দ হতো তার চেয়ে বেশি ভালো লাগত টেস্টটা ড্র করতে পারলে। সেঞ্চুরির লক্ষ্য ছিল না, লক্ষ্য ছিল অন্তত চা-বিরতি পর্যন্ত খেলা।’

ছোট ছোট আফসোস থাকবেই। তার পরও সান্ত্বনা এই, শেষ ভালোর আশা কিছুটা তো মেটাল ঢাকা টেস্ট!
__________________
-- Alwayz with !!! Champions are made from something they have deep inside them - a desire, a dream, and a vision!
-- Bangladesh are the Runners-up in the 2012 ASIA Cup!
Reply With Quote
  #3812  
Old December 22, 2011, 01:02 AM
idrinkh2O's Avatar
idrinkh2O idrinkh2O is offline
Test Cricketer
 
Join Date: April 9, 2011
Favorite Player: Performing Tigers
Posts: 1,869

টুকরো টুকরো ছবি| তারিখ: ২২-১২-২০১১

সাকিব কীর্তি-১
ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা অলরাউন্ডারদের উচ্চতায় নানাভাবে নিজেকে তুলে আনছেন সাকিব আল হাসান। ঢাকা টেস্টেও যেমন আনলেন। দুই ইনিংস মিলিয়ে ১৫০ রান ও ৭ উইকেট—ব্যাটিং-বোলিং দুটিতেই দুই দল মিলিয়ে সেরা সাকিব। দুই দল মিলিয়ে ব্যাটিং-বোলিং দুটিতেই সেরা হওয়ার কীর্তি এর আগে ছিল ইয়ান বোথাম, রিচার্ড হ্যাডলি, ডেনিস অ্যাটকিনসন, গ্যারি সোবার্স, মুশতাক মোহাম্মদের।

সাকিব কীর্তি-২
ব্যাটে-বলে দুই দল মিলিয়ে সেরা—ম্যান অব দ্য ম্যাচের লড়াইয়ে সাকিব ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী। এই নিয়ে টেস্টে চারবার ম্যাচসেরা হলেন সাকিব, ছাড়িয়ে গেলেন মোহাম্মদ আশরাফুলকে। ৫৭ টেস্টে ৩ বার ম্যাচসেরা আশরাফুল, সাকিব ৪ বার হলেন ২৬ টেস্টেই। একাধিকবার ম্যাচসেরা হতে পারেননি বাংলাদেশের আর কেউ। একবার করে হয়েছেন অলক কাপালি, ইলিয়াস সানি, এনামুল হক জুনিয়র, জাভেদ ওমর, মাশরাফি বিন মুর্তজা, মোহাম্মদ রফিক ও তামিম ইকবাল।

সাকিব কীর্তি-৩
একই টেস্টে সেঞ্চুরি আর ৫ উইকেট নেওয়ার অসাধারণ কীর্তি গড়েছেন আগের দিন। কাল ঢুকে গেলেন আরেকটি ছোট্ট তালিকায়। তবে এই তথ্যে শুধু কষ্টই বাড়বে সাকিবের। প্রায় ৫০ বছর পর সেঞ্চুরি ও ৫ উইকেট নেওয়ার পরও হারের যন্ত্রণা সইলেন কোনো ক্রিকেটার। সর্বশেষ এই অভিজ্ঞতা হয়েছিল পলি উমরিগড়ের, ১৯৬২ সালের এপ্রিলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। এই তিক্ত স্বাদ পেয়েছেন আর কেবল দুজন। ১৮৯৯ সালে জিমি সিনক্লেয়ারের সৌজন্যে সেঞ্চুরি ও ৫ উইকেটের কীর্তি প্রথম দেখে টেস্ট ক্রিকেট, কিন্তু ওই ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে হেরেছিল তাঁর দল দক্ষিণ আফ্রিকা। ভীনু মানকড়ের এমন নৈপুণ্যের পরও ১৯৫২ সালে ইংল্যান্ডের কাছে হেরেছিল ভারত।

নাজমুল বিস্ময়
বর্তমান ক্রিকেটারদের মধ্যে সেরা টেস্ট গড় তাঁর (৫৭.৭৯), আইসিসির বর্তমান বর্ষসেরা ক্রিকেটারও তিনি। কিন্তু ২৩ টেস্ট খেলেও একটি স্বাদ এখনো পাওয়া হয়নি জোনাথন ট্রটের। সিড গ্রেগরি (৫৮ টেস্ট), বিজয় মাঞ্জরেকার (৫৫ টেস্ট), মাইক ব্রিয়ারলি (৩৯) সেই স্বাদ পাননি টেস্ট ক্যারিয়ারে একবারও। পাননি বাংলাদেশের হান্নান সরকার (১৭ টেস্ট), আমিনুল ইসলামও (১৩ টেস্ট)। ব্যাট হাতে সেটা দ্বিতীয় টেস্টেই পেয়ে গেলেন নাজমুল হোসেন। ধন্দে পড়ে যাচ্ছেন? কাল একটি ছয় মেরেছেন নাজমুল, যে স্বাদ পাননি অনেক বিখ্যাত নামও!

ইমরানের পাশে আজমল
৮ উইকেট পড়ে গেল, তখনো উইকেটশূন্য সাঈদ আজমল। মনে হচ্ছিল, এ বছর উইকেটের টেস্ট উইকেটের ফিফটি বুঝি আর হচ্ছেই না তাঁর। শেষ দুটি উইকেট নিয়ে শেষ পর্যন্ত ঠিকই পঞ্চাশ ছুঁলেন ‘দুসরা’ বোলার। পাকিস্তানের হয়ে এক পঞ্জিকাবর্ষে টেস্ট উইকেটের ফিফটি প্রথম করেছিলেন ইমরান খান, ১৯৮২ সালে (৯ টেস্টে ৬২ উইকেট)। পাকিস্তানের হয়ে এই কীর্তি আছে আর মাত্র দুজনের—১৯৯৩ সালে ওয়াকার ইউনুস (৭ টেস্টে ৫৫) ও ২০০২ সালে সাকলাইন মুশতাক (১১ টেস্টে ৫১)। আজমলের ৫০ হলো অষ্টম টেস্টে। এ বছর সর্বোচ্চ টেস্ট উইকেটশিকারিও হয়তো তিনিই থাকবেন, যদি না অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বক্সিং ডে টেস্টে ১০ উইকেট নিয়ে ফেলেন ইশান্ত শর্মা (৪১ উইকেট)।

রেহমানের হতাশা
আজমল শেষ দুটি উইকেট নেওয়ায় কপাল পুড়ল স্পিন জুটিতে তাঁর সঙ্গীর। আরেকবার সম্ভাবনা জাগিয়েও ৫ উইকেট পাওয়া হলো না আবদুর রেহমানের। এই নিয়ে পাঁচবার ইনিংসে ৪ উইকেট পেলেন। একবারও ৫ উইকেট না পেয়ে সবচেয়ে বেশি উইকেট পাওয়ার অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডটির দিকেও এগিয়ে গেলেন আরেক ধাপ। ৩০ টেস্টে ৮৭ উইকেট নিয়ে যে রেকর্ডটি ইংল্যান্ডের মাইক হেনড্রিকের (সেরা ৪/২৮), ৩৬ টেস্টে ৭৮ উইকেট নিয়ে ঠিক পেছনেই মাশরাফি বিন মুর্তজা (সেরা ৪/৬০)। রেহমানের সান্ত্বনা হতে পারে একটাই, কালকের ৫১ রানে ৪ উইকেট তাঁর ক্যারিয়ার-সেরা বোলিং।

স্ট্রাইক রেট ৬০০
প্রথম বলটি ব্লক, দ্বিতীয়টিতে লংঅফ সীমানা ছাড়িয়ে খেলা শেষ—২ বলে ৬ রান মিসবাহর, স্ট্রাইক রেট ৩০০! তবে জেনে রাখুন, এক বল খেলে সেটিতেই ছয় মারার কীর্তিও আছে একজনের। তাঁর নামটা অবশ্য বিস্ময় হয়ে আসবে না। ১৯৯৩ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কলম্বোর এসএসসিতে চতুর্থ ইনিংসে সনাৎ জয়াসুরিয়া যখন ব্যাটিংয়ে নামেন, জয়ের জন্য শ্রীলঙ্কার প্রয়োজন ছিল ৬ রান। প্রথম বলেই ফিল টাফনেলকে ছয় মেরে জয় আনেন জয়াসুরিয়া, স্ট্রাইক রেট ছিল ৬০০! ৫০০ স্ট্রাইক রেটের একটা ইনিংসও আছে। ২০০৮ সালে ওই একই মাঠে এক বল খেলে ৫ রান (ওভারথ্রোর সৌজন্যে) করেছিলেন ইশান্ত শর্মা!
 আরিফুল ইসলাম
__________________
-- Alwayz with !!! Champions are made from something they have deep inside them - a desire, a dream, and a vision!
-- Bangladesh are the Runners-up in the 2012 ASIA Cup!
Reply With Quote
  #3813  
Old December 22, 2011, 02:15 AM
idrinkh2O's Avatar
idrinkh2O idrinkh2O is offline
Test Cricketer
 
Join Date: April 9, 2011
Favorite Player: Performing Tigers
Posts: 1,869

Shakib is the Man of the Match: Hopefully we will improve. We have two months to improve on many things before the Asia Cup. Personally I'm satisfied with my form."

Younis is the Man of the Series: It's hardto play back to back series but in the end it was a happy ending. Bangladesh are improving, all they need is to play more Tests and stick with the same guys."

Mushfiqur: "The bowlers did a very good job. This is one of the games in which we couldn't catch properly. After a bad defeat in the first Test the guys showed a lot of character. Nasir also batted really well."

Misbah: "The players are understanding their roles in Test cricket and that is helping us. The players, management is responding well. Bangladesh did well to put together partnerships and they gave us a tough time in this Test."

Pakistan in Bangladesh Test Series - 2nd Test
Bangladesh v Pakistan
Pakistan won by 7 wickets

CI
__________________
-- Alwayz with !!! Champions are made from something they have deep inside them - a desire, a dream, and a vision!
-- Bangladesh are the Runners-up in the 2012 ASIA Cup!
Reply With Quote
  #3814  
Old December 22, 2011, 03:30 AM
Crisis Crisis is offline
Banned
 
Join Date: March 19, 2011
Posts: 1,096

No one recognized Rajin Saleh in the above pic ?
Reply With Quote
  #3815  
Old December 22, 2011, 05:48 AM
mij mij is offline
Cricket Legend
 
Join Date: September 21, 2004
Location: London, UK
Posts: 2,512

Quote:
Originally Posted by Crisis
No one recognized Rajin Saleh in the above pic ?
you can't be serious
Reply With Quote
  #3816  
Old December 22, 2011, 05:43 PM
Crisis Crisis is offline
Banned
 
Join Date: March 19, 2011
Posts: 1,096

Quote:
Originally Posted by mij
you can't be serious
Quote:
Originally Posted by Crisis

Well, it has gotta be Rajin Saleh!
Reply With Quote
  #3817  
Old December 22, 2011, 08:59 PM
Rifat's Avatar
Rifat Rifat is offline
Cricket Guru
 
Join Date: March 30, 2007
Location: Connecticut
Favorite Player: Hashim Amla
Posts: 10,545

Rajin Saleh keeps a sunnah style beard these days...

in addition: Rajin Saleh was involved in a domestic first class match during the time this Test match was being played. in fact he scored back to back fifties

http://www.espncricinfo.com/ci/engin...ch/543723.html
Reply With Quote
  #3818  
Old December 23, 2011, 07:35 PM
Crisis Crisis is offline
Banned
 
Join Date: March 19, 2011
Posts: 1,096

Quote:
Originally Posted by Rifat
Rajin Saleh keeps a sunnah style beard these days...

in addition: Rajin Saleh was involved in a domestic first class match during the time this Test match was being played. in fact he scored back to back fifties

http://www.espncricinfo.com/ci/engin...ch/543723.html
Ohho, ki vultai na korlam. Vablam kicked out players come to the stadium to watch their buddies play. Guess not.
Reply With Quote
Reply

Bookmarks


Currently Active Users Viewing This Thread: 1 (0 members and 1 guests)
 
Thread Tools
Display Modes

Posting Rules
You may not post new threads
You may not post replies
You may not post attachments
You may not edit your posts

BB code is On
Smilies are On
[IMG] code is On
HTML code is On



All times are GMT -5. The time now is 05:10 AM.


Powered by vBulletin® Version 3.8.7
Copyright ©2000 - 2014, vBulletin Solutions, Inc.
BanglaCricket.com
 

About Us | Contact Us | Privacy Policy | Partner Sites | Useful Links | Banners |

© BanglaCricket